দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারালো চাটখিলের মিজান

ধারাবাহিক হত্যাকান্ডের পরও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিশ্চুপ ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছেন প্রবাসীরা

188

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলির ধারাবাহিকতায় এবার নিহত হয়েছেন বাংলাদেশের আরেক রেমিটেন্স যোদ্ধা মিজানুর রহমান মিজান (২৬)। তিনি চাটখিল পৌরসভার ভীমপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদের ছেলে। বুধবার ভোররাতে মিজানের পরিবার তার মৃত্যুর খবর জানতে পারে।
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিহত মিজানের ভাগ্নে জামাই বাবর হোসেন পলাশ মোবাইলে জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যার পর জোহানেক্সবার্গ এ দোকানের সামনে দাঁড়ানো অবস্থায় সন্ত্রাসীরা মিজানকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে পালিয়ে যায়। নিকটস্থ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মিজানকে মৃত বলে ঘোষণা করে। মিজান সেখানে তার ভাগ্নি জামাই পলাশের দোকানে চাকুরি করতেন।
মিজানের মৃত্যুর খবর স্বজনরা জানার পর থেকে তাদের বাড়িতে আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী ভীড় জমাচ্ছে। বুধবার দুপুরে মিজানের বাড়িতে সাংবাদিকরা গেলে দেখা যায়, পরিবারে চলছে মিজানকে হারানোর বুকফাটা আহাজারি। মিজানের মা সুরাইয়া বেগম কাঁদতে কাঁদতে বার-বার মুর্ছা যান। মিজানের বাবা চাটখিল মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী কমান্ডার ও পৌর আওয়ামী লীগের মক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আবদুল হামিদ ছেলের মৃত্যুর সংবাদে একেবারেই হতবাক। তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে তার ছেলের লাশ ফেরত আনার ব্যাপারে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। মিজানের বাবা জানান, ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মিজান দক্ষিণ আফ্রিকায় যায়। তার তিন ছেলে দুই মেয়ের মধ্যে মিজান মেঝো । তার বড় ছেলে শরীফ সৌদি আরবে অবস্থান করছেন এবং ছোট ছেলে মুরাদ বাড়িতে রয়েছে।
এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় একের পর এক বাংলাদেশি হত্যাকান্ডের পরও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নি:শ্চুুপ থাকায় ক্ষোভ রয়েছে সেখানকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে। সেখানে থাকা চাটখিলের তরুণ ব্যবসায়ী আবদুল মজিদ রিয়াজ জানান, আমরা প্রতিটি মুহুর্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখানে বাস করে দেশে রেমিটেন্স পাঠাই অথচ আমাদেরকে একটু দেখারও যেন কারো আগ্রহ নেই।

আরও পড়ুন

এ সময় বক্তারা আদালতের রায় ও ডাক্তারের চিকিৎসা পত্র বাংলা ভাষায় লিপিবদ্ধ করার জন্য জোরালো দাবি জানান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

অল্পদিনের মধ্যেই এখানকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গতিশীল হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অন্যায়, অবিচার, অনিয়ম ও চাঁদাবাজ আমার কাছে প্রশ্রয় পাবে না।

নিজ এলাকায় জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন এইচ এম ইব্রাহিম এমপি

মফস্বলে সাংবাদিকতা করা একটা চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম।

মফস্বল সাংবাদিকতা করা একটা চ্যালেঞ্জ – এইচ এম ইব্রাহিম

এইচ এম ইব্রাহিম বলেন,আমার নির্বাচনী এলাকার অসুবিধাগ্রস্থ মানুষদের মাঝে অতীতের ন্যায় এবারও আমি শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। আমার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে আমি প্রায় পঞ্চাশ হাজার পরিবারের কাছে এই শীতবস্ত্র পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছি।

নোয়াখালী-১ আসনে এইচ এম ইব্রাহিম এমপির শীতবস্ত্র বিতরণ

গ্রেপ্তার হওয়া মোশারফ হোসেন টিটু (২২) কবিরহাট থানার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লাতু সওদাগর বাড়ির মৃত মিয়াধনের ছেলে। সে পেশায় একজন মোবাইল মেকানিক।

কবিরহাটে ভাবির ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে দেবর গ্রেপ্তার

Comments are closed.