চন্দ্রগঞ্জে বস্তাবন্দী যুবক খুনের রহস্য উদঘাটন, আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী

196

গত ৪র্মাচ সোমবার গভীর রাতে পুলিশ সুপার লক্ষ্মীপুর এর সার্বিক নির্দেশনায় লক্ষ্মীপুর এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) আনোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে জেলা পুলিশ এর একটি চৌকস টিম কর্তৃক চন্দ্রগঞ্জ থানার মেহেরাজ হত্যা মামলার অন্যতম আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুন(১৯) কে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তার নিজ এলাকা সুধারাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক মামুন হত্যাকান্ডে তার নিজের ও অপর সহযোগী ঘাতক (১) তানভীর ও (২) রাশেদের জড়িত থাকার কথা অকপটে স্বীকার পূর্বক ঘটনার লোমহর্ষক বিবরণ দেয়। আসামীর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি মোতাবেক হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি নোয়াখালীর একটি মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় মামলার ভিকটিম মেহেরাজ(১৯), তানভীর(২০) ও মামুন(১৯) পরস্পর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও একই এলাকার বাসিন্দা। ঘাতক তানভীর ও মামুন উভয়েই নোয়াখালীর জেলার সুধারাম থানার উদয় সাধুর (উদার হাট) হাটের সততা বস্ত্রালয়ের কর্মচারী। জনৈক বৃষ্টি নামক একটি মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্কের জেরে খুনী তানভীর ও ভিকটিম মেহেরাজের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। যার জেরে তানভীর মেহেরাজকে খুনের পরিকল্পনা করে। এ পরিকল্পনার কথা ঘাতক তানভীর তার বন্ধু ও একই দোকানের কর্মচারী মামুনকে জানায়। একাজে তারা আরেক বন্ধু রাশেদকে যুক্ত করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারী (রোববার) বিকালে তারা উদয় সাধুর বাজারের একটি দোকান থেকে চেতনা নাশক ঔষুধ, অপর একটি মুদী দোকান থেকে প্লাষ্টিকের দুটি সাদা রঙের বস্তা ও একই বাজারের অপর কনফেকশনারীর দোকান থেকে ০৫টি স্পীড কোল্ড ড্রিংকস কিনে ০৪ বন্ধু মিলে একটি জারা মোটর সাইকেলযোগে সুধারাম থানাধীন মুন্সী তালক গ্রামের দিকে যায়। সেখানে রাস্তার উপরে মোটর সাইকেল রেখে ০৪ বন্ধু মিলে একটি নির্জন খোলা মাঠে গিয়ে আড্ডা মারে। আড্ডার এক পর্যায়ে সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ টার দিকে ০৩ বন্ধু কৌশলে ভিকটিম মেহেরাজকে চেতনা নাশক ঔষুধ মিশানো ‘স্পীড কোল্ড ড্রিংকস’ পান করায়। কিছুক্ষণের মধ্যে মেহেরাজ অজ্ঞান হয়ে পড়লে আসামীরা ভিকটিম এর প্যান্টের বেল্ট গলায় পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে। মৃত্যু নিশ্চিত হলে তারা মৃতদেহটি বস্তাবন্ধী করে। এরপর তানভীর ও আটক মামুন একই মোটর সাইকেল যোগে বস্তাবন্ধী মৃত দেহটি ঘটনাস্থল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন পূর্ব সৈয়দপুর গ্রামস্থ টক্কার পুল নামকস্থানে নিয়ে রাত্র অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার দিকে ব্রীজের ওপর থেকে পানিতে ফেলে দেয়। এরপর ঘাতক তানভীর মোটর সাইকেল যোগে ও মামুন ভাড়াকরা সিএনজি যোগে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরবর্তীতে ২৮ ফেব্রুয়ারী (বৃহস্পতিবার) বিকাল অনুমান ০৪.৩০ ঘটিকার দিকে বস্তাবন্ধী মৃত দেহটি ভেসে ওঠে। সংবাদ পেয়ে ভিকটিম এর পরিবার মৃত দেহটি ভিকটিম মেহেরাজ এর বলে শনাক্ত করে।
অদ্য ০৬ মার্চ (বুধবার) আটক ঘাতক মামুন বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করে। বাকী আসামীদেরকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন

বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএম এর নোয়াখালী জেলার সভাপতি ডাঃ এম এ নোমান,চাটখিল কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া।

চাটখিলে ডিয়ার ছোয়াদ এজেন্সির হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান (রুবেল ভূঁইয়া) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রতিষ্ঠানের চলমান উন্নয়ন এবং মাঠ সম্প্রসারণের কাজ সম্পর্কে অবগত করেন এবং মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন-এইচ এম ইব্রাহিম

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া বলেন,ঐতিহ্যবাহী চাটখিল কামিল মাদ্রাসা একটি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলায়েত হোসেন আশা করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় সর্বসাধারনের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত এর মতবিনিময়

Comments are closed.