চন্দ্রগঞ্জে বস্তাবন্দী যুবক খুনের রহস্য উদঘাটন, আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী

153

গত ৪র্মাচ সোমবার গভীর রাতে পুলিশ সুপার লক্ষ্মীপুর এর সার্বিক নির্দেশনায় লক্ষ্মীপুর এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) আনোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে জেলা পুলিশ এর একটি চৌকস টিম কর্তৃক চন্দ্রগঞ্জ থানার মেহেরাজ হত্যা মামলার অন্যতম আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুন(১৯) কে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তার নিজ এলাকা সুধারাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক মামুন হত্যাকান্ডে তার নিজের ও অপর সহযোগী ঘাতক (১) তানভীর ও (২) রাশেদের জড়িত থাকার কথা অকপটে স্বীকার পূর্বক ঘটনার লোমহর্ষক বিবরণ দেয়। আসামীর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি মোতাবেক হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি নোয়াখালীর একটি মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় মামলার ভিকটিম মেহেরাজ(১৯), তানভীর(২০) ও মামুন(১৯) পরস্পর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও একই এলাকার বাসিন্দা। ঘাতক তানভীর ও মামুন উভয়েই নোয়াখালীর জেলার সুধারাম থানার উদয় সাধুর (উদার হাট) হাটের সততা বস্ত্রালয়ের কর্মচারী। জনৈক বৃষ্টি নামক একটি মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্কের জেরে খুনী তানভীর ও ভিকটিম মেহেরাজের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। যার জেরে তানভীর মেহেরাজকে খুনের পরিকল্পনা করে। এ পরিকল্পনার কথা ঘাতক তানভীর তার বন্ধু ও একই দোকানের কর্মচারী মামুনকে জানায়। একাজে তারা আরেক বন্ধু রাশেদকে যুক্ত করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারী (রোববার) বিকালে তারা উদয় সাধুর বাজারের একটি দোকান থেকে চেতনা নাশক ঔষুধ, অপর একটি মুদী দোকান থেকে প্লাষ্টিকের দুটি সাদা রঙের বস্তা ও একই বাজারের অপর কনফেকশনারীর দোকান থেকে ০৫টি স্পীড কোল্ড ড্রিংকস কিনে ০৪ বন্ধু মিলে একটি জারা মোটর সাইকেলযোগে সুধারাম থানাধীন মুন্সী তালক গ্রামের দিকে যায়। সেখানে রাস্তার উপরে মোটর সাইকেল রেখে ০৪ বন্ধু মিলে একটি নির্জন খোলা মাঠে গিয়ে আড্ডা মারে। আড্ডার এক পর্যায়ে সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ টার দিকে ০৩ বন্ধু কৌশলে ভিকটিম মেহেরাজকে চেতনা নাশক ঔষুধ মিশানো ‘স্পীড কোল্ড ড্রিংকস’ পান করায়। কিছুক্ষণের মধ্যে মেহেরাজ অজ্ঞান হয়ে পড়লে আসামীরা ভিকটিম এর প্যান্টের বেল্ট গলায় পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে। মৃত্যু নিশ্চিত হলে তারা মৃতদেহটি বস্তাবন্ধী করে। এরপর তানভীর ও আটক মামুন একই মোটর সাইকেল যোগে বস্তাবন্ধী মৃত দেহটি ঘটনাস্থল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন পূর্ব সৈয়দপুর গ্রামস্থ টক্কার পুল নামকস্থানে নিয়ে রাত্র অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার দিকে ব্রীজের ওপর থেকে পানিতে ফেলে দেয়। এরপর ঘাতক তানভীর মোটর সাইকেল যোগে ও মামুন ভাড়াকরা সিএনজি যোগে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরবর্তীতে ২৮ ফেব্রুয়ারী (বৃহস্পতিবার) বিকাল অনুমান ০৪.৩০ ঘটিকার দিকে বস্তাবন্ধী মৃত দেহটি ভেসে ওঠে। সংবাদ পেয়ে ভিকটিম এর পরিবার মৃত দেহটি ভিকটিম মেহেরাজ এর বলে শনাক্ত করে।
অদ্য ০৬ মার্চ (বুধবার) আটক ঘাতক মামুন বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করে। বাকী আসামীদেরকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন

এ সময় বক্তারা আদালতের রায় ও ডাক্তারের চিকিৎসা পত্র বাংলা ভাষায় লিপিবদ্ধ করার জন্য জোরালো দাবি জানান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

অল্পদিনের মধ্যেই এখানকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গতিশীল হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অন্যায়, অবিচার, অনিয়ম ও চাঁদাবাজ আমার কাছে প্রশ্রয় পাবে না।

নিজ এলাকায় জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন এইচ এম ইব্রাহিম এমপি

মফস্বলে সাংবাদিকতা করা একটা চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম।

মফস্বল সাংবাদিকতা করা একটা চ্যালেঞ্জ – এইচ এম ইব্রাহিম

এইচ এম ইব্রাহিম বলেন,আমার নির্বাচনী এলাকার অসুবিধাগ্রস্থ মানুষদের মাঝে অতীতের ন্যায় এবারও আমি শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। আমার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে আমি প্রায় পঞ্চাশ হাজার পরিবারের কাছে এই শীতবস্ত্র পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছি।

নোয়াখালী-১ আসনে এইচ এম ইব্রাহিম এমপির শীতবস্ত্র বিতরণ

গ্রেপ্তার হওয়া মোশারফ হোসেন টিটু (২২) কবিরহাট থানার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লাতু সওদাগর বাড়ির মৃত মিয়াধনের ছেলে। সে পেশায় একজন মোবাইল মেকানিক।

কবিরহাটে ভাবির ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে দেবর গ্রেপ্তার

Comments are closed.