কাশ্মিরের বিধান সভা ভেঙে দেওয়া নিয়ে নাটকীয়তা

112

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য জম্মু ও কাশ্মিরের গভর্নর সত্য পাল মালিক বুধবার রাতে হঠাৎ করে রাজ্য বিধান সভা ভেঙে দিয়েছেন। একটি সরকার গঠনের সম্ভাবনা সৃষ্টির মধ্যে অতি নাটকীয়ভাবে এই ঘটনা ঘটল। এখন রাজ্যে নতুন নির্বাচন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। সম্ভবত আগামী এপ্রিল হবে ওই নির্বাচন।

মিডিয়াকে মালিক বলেন, বিপরীতমুখী আদর্শের দলগুলো একসাথে হয়ে সরকার গঠন করতে চাওয়ায় তিনি বিধান সভা ভেঙে দিয়েছেন। তার মতে এ ধরনের সরকার স্থিতিশীল হতে পারে না।

অবশ্য বিজেপি-নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে গভর্নর পদে তার দায়িত্ব গ্রহণকে রাজনৈতিক নিযুক্তি হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। সমালোচকেরা বলছেন, গভর্নরের মাধ্যমে রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ বহাল রাখার জন্যই কেন্দ্রীয় সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলেছে। এর আগে পিডিপির সাথে মিলে চার বছর সেখানে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি।

পিডিপি বলেছিল, তারা ন্যাশনাল কংগ্রেস ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের সাথে মিলে সরকার গঠন করতে চায়। এখন দলটি গভর্নরের আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত জুন থেকে উত্তপ্ত রাজ্যটিতে গভর্নরের শাসন চলছে। পিডিপি-বিজেপি সরকার থেকে বিজেপি সমর্থন প্রত্যাহার করলে সরকার ভেঙে গিয়েছিল। তবে রাজ্য বিধান সভায় পিডিপির রয়েছে সর্বোচ্চ ২৮টি আসন। ৮৭ সদস্যবিশিষ্ট বিধান সভায় তারা এখন কংগ্রেস (১২) ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের (১৫) সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

পিডিপির সভাপতি ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি রাজভবনে দ্রুত এক চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, সরকার গঠন করার মতো সমর্থন তার আছে। সরকার গঠন করতে ৪৪ জন এমএলএর সমর্থন লাগলেও তার আছে ৫৬ জন এমএলএ।

তবে সাথে সাথেই বিচ্ছিন্নতাবাদী থেকে মূলধারার রাজনীতিতে আসা পিপলস কনফারেন্সের নেতা সাজাদ লোন দাবি করেন, তার প্রতি বিজেপির ২৫ জন এমএলএর সমর্থন রয়েছে। তিনি তাকে সরকার গঠন করার সুযোগ দিতে গভর্নরের প্রতি আহ্বান জানান। এমনকি ইমরান রেজা আনসারির নেতৃত্বে পিডিপির বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী সদস্যও সাজাতের সাথে যোগ দিতে প্রস্তুত বলে জানানো হয়।

এই প্রেক্ষাপটে গভর্নর রাজ্য বিধান সভা ভেঙে দেন বলে জানানো হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, পরিষদ ভেঙে দেয়ায় কংগ্রেস, পিডিপি ও ন্যাশনাল কংগ্রেসের জন্য স্বস্তিই সৃষ্টি হয়েছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পিডিপির সাথে জোট গড়লে ন্যাশনাল কংগ্রেসকে বেশ ঝামেলাতেই পড়তে হতো। আবার মেহবুব মুফতিহীন সরকার গঠিত হলে পিডিপিও খারাপ অবস্থায় পড়ে যেত।

এখন নির্বাচনের মাধ্যমেই রাজ্যটির পরবর্তী শাসকদল নির্ধারিত হবে। ভেঙে দেয়া না হলে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত পরিষদ বহাল থাকত।

আরও পড়ুন

বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএম এর নোয়াখালী জেলার সভাপতি ডাঃ এম এ নোমান,চাটখিল কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া।

চাটখিলে ডিয়ার ছোয়াদ এজেন্সির হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান (রুবেল ভূঁইয়া) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রতিষ্ঠানের চলমান উন্নয়ন এবং মাঠ সম্প্রসারণের কাজ সম্পর্কে অবগত করেন এবং মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন-এইচ এম ইব্রাহিম

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া বলেন,ঐতিহ্যবাহী চাটখিল কামিল মাদ্রাসা একটি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলায়েত হোসেন আশা করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় সর্বসাধারনের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত এর মতবিনিময়

Comments are closed.