হাতিয়ায় সোনালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের টাকা গায়েবের অভিযোগ

136

নোয়াখালীর হাতিয়া সোনালী ব্যাংক একাউন্ট থেকে এক মহিলা গ্রাহকের ১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা গায়েব হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে হাতিয়া উপজেলা পরিষদ শাখায়। তবে ব্যাংক ম্যানেজারের দাবী গ্রাহক চেকের মাধ্যমে নিজেই তার হিসাব থেকে টাকা তুলে নিয়েছে।
এ নিয়ে ব্যাংক পাড়ায় ও আশে পাশের ব্যবসায়ী হিসাব ধারীদের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরকিং ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকার খতিজা খাতুন নামে ৭০ বছর বয়সী এক মহিলা ২০১৭ সালে সোনালী ব্যাংক হাতিয়া উপজেলা পরিষদ শাখায় একটি সঞ্চয়ী হিসাব (নং-৮৪৩৩) খোলে। ওই মহিলার ৪ ছেলে, সবাই প্রবাসী। মায়ের একাউন্টে ছেলেরা বিভিন্ন সময়ে টাকা পাঠাতো। কেবল নিজের নাম লিখতে পারে এই মহিলা বিভিন্ন সময়ে টাকা উত্তোলন করার জন্য ব্যাংকে এসে ব্যাংকের গার্ড ফরহাদ হোসেনের দ্বারস্থ হয়ে থাকে। চেক পূরন করে টাকা উত্তোলন করে গার্ড ফরহাদ সমুদয় টাকা ওই মহিলার হাতে তুলে দিয়ে বিনিময়ে বখশিস নিয়ে থাকে।

এরই মধ্যে গত ১৬ জানুয়ারী মহিলার স্বাক্ষর জাল করে কে বা কাহারা বাহক চেকের মাধ্যমে খদিজার হিসাব থেকে ১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যায়। পরদিন মহিলা টাকা উত্তোলন করতে ব্যাংকে এসে জানতে পারে তার একাউন্ট থেকে তারেক নামে এক বাহক আগের দিন ১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা উত্তোলন করে নিয়ে গেছে। এতে গ্রাহক খতিজা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

হাতিয়া উপজেলা পরিষদ শাখার সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন জানান, বাহক চেকের মাধ্যমে খদিজা তার হিসাব থেকে টাকা তুলে নিয়েছেন। তারেক নামের এক যুবককে তিনি বাহক চেক দিয়েছেন। বাহক চেকের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকার উর্ধে টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে গ্রাহক (হিসাবধারী) কে ফোন দিয়ে জানাতে হয় এমন প্রশ্নের জবাবে ম্যানেজার বলেন, প্রতিদিন ৩/৪ শত গ্রাহককে বিদায় করতে হয়। কয়জনকেই বা ফোন দেওয়া যায় ? তাছাড়া জনবল সংকট।

খতিজা জানায়, আমি কাউকে চেক দিই নি। ব্যাংক থেকেও আমাকে ফোন দেওয়া হয়নি। আমি চেক লিখতেও জানিনা। বিভিন্ন সময়ে গার্ড ফরহাদ আমার চেক লিখে দেয়। সে একবার চেকে ভুল হয়েছে বলে আমার কাছ থেকে নতুন আরেকটি পাতা নিয়ে নিয়েছে। ভুল চেকটি আমাকে ফেরত দেয়নি। যে চেকটির মাধ্যমে ১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা উত্তোলন করে টাকা গায়েব করা হয়েছে সেই চেকটি দেখতে চাইলে ম্যানেজার বলেন ডিজিএম স্যারের অনুমতি ছাড়া চেক দেখানো যাবে না।

খতিজা আরো জানায়, গার্ড ফরহাদ জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে আমাকে টাকা তুলে দিয়ে আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা হাওলাত নেয় যা একমাস পর ফেরত দেয়ার কথা ছিল। ফরহাদ একমাস যাওয়ার আগেই নয় দিনের মাথায় অর্থাৎ ১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা গায়েব হওয়ার পরদিনই আমাকে হাওলাতী টাকা পরিশোধ করে দেয়। এতে আমার ধারনা সেই আমার অজান্তে এই টাকা তুলে নিয়েছে।

অপর একটি সূত্রে জানা যায়, চেকের বাহকের নাম তারেক ও অপর পৃষ্ঠায় মোবাইল নং দেওয়া হয়েছে ০১৮৮৭৭৭৯৮১৯। তবে এই নম্বরে এ প্রতিবেদক কয়েকবার কল দিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে পরিচয় পেয়ে কল কেটে দেয় ও পরে সিম বন্ধ করে রাখে।
এদিকে একাউন্ট থেকে ১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা গায়েব হওয়ার প্রতিকার চেয়ে খদিজা আজ সোমবার সন্ধ্যায় ব্যাংকের গার্ড ফরহাদকে আসামী করে হাতিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

এ ব্যাপারে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান শিকদার জানান, খদিজা খাতুনের অভিযোগ পেয়ে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হলে অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএম এর নোয়াখালী জেলার সভাপতি ডাঃ এম এ নোমান,চাটখিল কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া।

চাটখিলে ডিয়ার ছোয়াদ এজেন্সির হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান (রুবেল ভূঁইয়া) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রতিষ্ঠানের চলমান উন্নয়ন এবং মাঠ সম্প্রসারণের কাজ সম্পর্কে অবগত করেন এবং মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন-এইচ এম ইব্রাহিম

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া বলেন,ঐতিহ্যবাহী চাটখিল কামিল মাদ্রাসা একটি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলায়েত হোসেন আশা করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় সর্বসাধারনের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত এর মতবিনিময়

Comments are closed.