সুইপার থেকে কোটিপতি ফেনী পৌরসভার হানিফ

143

ফেনী পৌরসভার সুইপার মো. হানিফ। বারাহিপুর এলাকায় রয়েছে কোটি টাকা মূল্যের বাড়ি। পৌর এলাকায় তার নামে সম্পত্তিও রয়েছে। তার সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, ফেনী পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে সুইপারের কাজ করেন হানিফ। ভাতা পান দৈনিক ১শ টাকা। পৌরসভায় কাজ করার সুবাদে জড়িয়ে পড়েন মাদক কারবারে। পৌরসভা সংলগ্ন নির্মাণাধীন শ্যাম নাহার গার্ডেনের পেছনে শুরু করেন মাদক কেনাবেচা।

শুধু এখানেই নয়, তার পুরাতন পুলিশ কোয়ার্টারের বাসায়ও চলে মাদক কেনাবেচা। বিভিন্ন সময় তাকে ধরতে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের মাদক বিরোধী টাস্কফোর্সের পাশাপাশি ভ্রাম্যমান আদালত, পুলিশ এমনকি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বেশ কয়েকবার গ্রেফতারও হন হানিফ। পরে কিছুদিন কারাভোগের পর জামিনে বের হয়ে ফের মাদক কারবারে জড়িয়ে যান ফেনী শহরতলীর পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের নগরকান্দি গ্রামের এ বাসিন্দা।

মাদক কেনাবেচার ফলে অঢেল সম্পদের মালিক বনে যান সুইপার হানিফ। পৌরসভার বারাহিপুর এলাকার রেললাইন সংলগ্ন বঙ্গবীর ওসমানী সড়কে মো. নুর আলম ওরফে আলম বাবুর্চি থেকে ৫ শতক জমিসহ দ্বিতল ভবনের বাড়ি কিনেন তিনি। ৭০ লাখ টাকা মূল্যে কেনা ৬৫/০২ হোল্ডিংয়ের ওই বাড়িটিতে ৪ পরিবার ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন। এছাড়া রেল লাইনের পাশে আনসার সফি থেকে ২৫ লাখ টাকা দিয়ে ৪ শতক জায়গা কিনেন হানিফ।

বাড়ির ভাড়াটে নাসির উদ্দিন পরিবর্তন ডটকমকে জানান, গত প্রায় ১ বছর ধরে তিনি এ বাসায় সপরিবারে বসবাস করছেন। মাসিক হারে হানিফকে ভাড়া দেন ৫ হাজার টাকা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক অমর্ত্য সেন পরিবর্তন ডটকমকে জানান, সুইপার হানিফ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তাকে ধরতে বিভিন্ন সময় বারাহিপুর রেল লাইনের পাশে কেনা বাড়িটিতেও অভিযান চালানো হয়েছে। ২০১৮ সালের ৮ মার্চ পুলিশ কোয়ার্টার আল-কেমী হাসপাতাল সংলগ্ন রহিমা ম্যানশনের ভাড়া বাসা থেকে ৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর দুই মাস পর ৩০ মে শ্যাম নাহার গার্ডেনের পেছনে তার আস্তানা থেকে ২০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

দুদক নোয়াখালী অঞ্চলের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম পরিবর্তন ডটকমকে জানান, প্রাথমিক তদন্তে হানিফের কোটি টাকার সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। হানিফের সম্পদের খোঁজে দুদক আরো অনুসন্ধান চালাচ্ছে। তদন্ত কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। উপ-সহকারি পরিচালক আলতাফ হোসেন তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি অন্যত্র বদলী হওয়ায় নতুন করে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি।

ফেনী পৌরসভার প্যানেল মেয়র আশ্রাফুল আলম গীটার পরিবর্তন ডটকমকে জানান, হানিফ মাষ্টার রোলে সুইপারের কাজ করতো। মাদকসহ ভ্রাম্যমান আদালতে গ্রেফতারের পর তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে সুইপার হানিফ বলেন, ‘দুদকের তদন্তের বিষয়টি আমার জানা নাই।

গ্রামের বাড়িতে পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে পৌর এলাকায় বাড়ি ও জায়গা কিনেছেন বলে তার দাবী করেন তিনি।
নিউজ ক্রেডিটঃ পরিবর্তন ডট কম

আরও পড়ুন

অল্পদিনের মধ্যেই এখানকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গতিশীল হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অন্যায়, অবিচার, অনিয়ম ও চাঁদাবাজ আমার কাছে প্রশ্রয় পাবে না।

নিজ এলাকায় জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন এইচ এম ইব্রাহিম এমপি

মফস্বলে সাংবাদিকতা করা একটা চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম।

মফস্বল সাংবাদিকতা করা একটা চ্যালেঞ্জ – এইচ এম ইব্রাহিম

এইচ এম ইব্রাহিম বলেন,আমার নির্বাচনী এলাকার অসুবিধাগ্রস্থ মানুষদের মাঝে অতীতের ন্যায় এবারও আমি শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। আমার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে আমি প্রায় পঞ্চাশ হাজার পরিবারের কাছে এই শীতবস্ত্র পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছি।

নোয়াখালী-১ আসনে এইচ এম ইব্রাহিম এমপির শীতবস্ত্র বিতরণ

গ্রেপ্তার হওয়া মোশারফ হোসেন টিটু (২২) কবিরহাট থানার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লাতু সওদাগর বাড়ির মৃত মিয়াধনের ছেলে। সে পেশায় একজন মোবাইল মেকানিক।

কবিরহাটে ভাবির ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে দেবর গ্রেপ্তার

Comments are closed.