লক্ষ্মীপুরে ৫০৯ হেক্টরের বেশি জমিতে বোরো আবাদ হচ্ছে

151

বর্তমান খরিপ মৌসুমে লক্ষ্মীপুর জেলার পাঁচটি উপজেলার কৃষকেরা বোরো ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। শৈত্যপ্রবাহ ও কনকনে শীত উপেক্ষা করেই ভোলা এবং রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কয়েক শ’ শ্রমিকের সাহায্যে স্থানীয় কৃষকরা করছেন ধান রোপণের কাজ।

জেলায় এবার খরিপ মৌসুমে ৩৫ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বিনা জাতের বোরো ধান চাষ করার লক্ষ্যে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। চাষকৃত জমির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ৫০৯ হেক্টর বেশি। এবার ১ লাখ ৫৪ হাজার ১৫৯ মেট্রিকটন ধান উৎপাদন হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ। গত বছর লক্ষ্মীপুর জেলায় ৩৪ হাজার ৭৯১ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছিল। উৎপাদন হয়েছিল ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৭৩ মেট্রিক টন ধান।

লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. জাকির হোসেন বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং যথাযথভাবে সেচ, সার ও কীটনাশক দেওয়া গেলে জেলায় এবার ১ লাখ ৫৪ হাজার ১৫৯ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে। গত বছরের তুলনায় এবার ২ হাজার ৭৮৬ মেট্রিক টন ধান বেশি উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ধান উৎপাদন বাড়াতে এবার জেলার কৃষকদের মধ্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেচ পাম্প ও গভীর নলকূপগুলোতে আগে থেকেই বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের সঠিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে জেলার ৭০ ভাগ জমিতে বোরো ধান চাষ সম্পন্ন হয়েছে। চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই কৃষকরা তাদের জমিতে ধান চাষ সম্পন্ন করতে পারবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কংশ নারায়ণপুর কৃষি সমবায় সমিতির সভাপতি মো. সামছুল ইসলাম বলেন, দেশে ধান-চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা এবার অন্য বছরের তুলনায় বোরো চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তার সমিতির অধীনে থাকা নলকূপগুলো যথা সময়ে চালু করায় কৃষকদের ধান চাষ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সদর উপজেলার দাউদপুর গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি এবার দেড় একর জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কেজি প্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা বেশি দাম দিয়ে সার কিনতে হচ্ছে। সারের দাম বেশি হওয়ায় ইচ্ছে থাকার পরও তিনি খরচের কথা বিবেচনা করে চাষ বৃদ্ধি করতে পারেননি। তিনি সরকার নির্ধারিত মূল্যে যেন কৃষকরা সার কিনতে পারেন সে জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ করেন।

সদর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের কৃষক জাকির হোসেন ও দাউদপুর গ্রামের মো. ইউছুফ বলেন, ধান চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা এবার লাভবান হবেন।  কৃষকদের কথা বিবেচনা করে সরকার যেন সারের দাম কমায় এবং কৃষকরা যেন সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পান সে ব্যবস্থা নিতে কৃষি বিভাগের প্রতি অনুরোধ জানান।

আরও পড়ুন

বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএম এর নোয়াখালী জেলার সভাপতি ডাঃ এম এ নোমান,চাটখিল কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া।

চাটখিলে ডিয়ার ছোয়াদ এজেন্সির হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান (রুবেল ভূঁইয়া) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রতিষ্ঠানের চলমান উন্নয়ন এবং মাঠ সম্প্রসারণের কাজ সম্পর্কে অবগত করেন এবং মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন-এইচ এম ইব্রাহিম

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া বলেন,ঐতিহ্যবাহী চাটখিল কামিল মাদ্রাসা একটি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলায়েত হোসেন আশা করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় সর্বসাধারনের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত এর মতবিনিময়

Comments are closed.