লক্ষ্মীপুরে তীব্র গ্যাস সংকটে নাজেহাল গৃহিণীরা

138

লক্ষ্মীপুরে চলছে তীব্র গ্যাস সংকট। এ অবস্থায় রান্না করতে নাজেহাল হচ্ছেন গৃহিণীরা।

বাধ্য হয়ে অনেকে মাটির চুলায় রান্না সারছেন, আবার কেউ বাড়তি খরচ করে গ্যাস সিলিন্ডার কিনে নিয়েছেন।  

 

সব মিলিয়ে বাসাবাড়ির গৃহিণীদের রান্না করাটা এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনোদিন রান্না করতে না পারলে বাইরে থেকে অতিরিক্ত দাম দিয়ে খাবার কিনতে হচ্ছে অনেককে।

গ্যাসের গ্রাহকদের অভিযোগ, নিয়মিত বিল পরিশোধ করেও গত দেড় মাস ধরে দিনের বেলায় চুলায় গ্যাস পাচ্ছেন না। রাতে গ্যাস এলেও আবার ভোর না হতেই চলে যায়।

একই অবস্থা বিরাজ করছে বাণিজ্যিক লাইন এবং সিএনজি গ্যাস স্টেশনগুলোতে। গ্যাসের চাপ না থাকায় যানবাহনে সিএনজি গ্যাস ঢুকাতে পারছেন না চালকরা।  তবে এ সংকটের কবে সমাধান হবে, তাও নিশ্চিত করে বলতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

লক্ষ্মীপুর পৌর এলাকার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জান্নাতুল নাঈম বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্যাস থাকে না। তাই রাতেই রান্না করে রাখি। গত দেড় মাস থেকে আমরা এ সমস্যার মধ্যে আছি।

একই ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুমি আক্তার বলেন, দিনের বেলাতে গ্যাসের যে পরিমাণ চাপ থাকে, তা দিয়ে কোনোকিছু রান্না করা যায় না।

পৌর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা খুকি বেগম বলেন, দিনে গ্যাস না থাকায় ভোর রাতে উঠে রান্না সারতে হচ্ছে।

শহরের দক্ষিণ তেমুহনী এলাকার বাসিন্দা মাহমুদুর রহমান মঞ্জু বলেন, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত গ্যাস থাকে। সারাদিনে গ্যাস থাকে না। ভোর রাতে রান্নার কাজ সারতে হয়। এছাড়া বাড়তি টাকা খরচ করে গ্যাস সিলিন্ডার কিনে নিয়েছি। দিনের বেলায় সিলিন্ডারে রান্নার কাজ করি।

পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, চুলায় গ্যাস না থাকায় কেউ লাড়কির চুলায় রান্না করছেন, কেউ সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। খাবার রান্না করতে গৃহিণীদের চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। কোনো কারণে যারা রান্না করতে পারছেন না, তাদের খাবার কিনে খেতে হচ্ছে।

সাইফুল ইসলাম নামে একজন গ্রাহক বলেন, নিয়মিত গ্যাসের বিল পরিশোধ করি। কিন্তু লাইনে গ্যাস পাওয়া যায় না।  বাড়তি টাকা খরচ করে সিলিন্ডার ব্যবহার করি।

চন্দ্রগঞ্জ শাহী সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার রহমত উল্যা সোহাগ বাংলানিউজকে বলেন, গ্যাসের চাপ কম থাকায় যানবাহনে ঠিকমতো সিএনজি সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

লক্ষ্মীপুরের পৌর এলাকা এবং চন্দ্রগঞ্জ এলাকাতে গ্যাস সরবরাহ করে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। আবাসিক এবং বাণিজ্যিক মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার গ্রাহক রয়েছে সংস্থাটির। এর মধ্যে রয়েছে দুটি সিএনজি গ্যাস স্টেশন। স্বাভাবিক নিয়মে গ্যাস সরবরাহের জন্য প্রতিদিন গড়ে গ্যাসের চাপ ৩০ থেকে ৩৫ পিএসআই (প্রতি বর্গ ইঞ্চি পাউন্ড) প্রয়োজন পড়ে এ জেলায়। কিন্তু এ মুহূর্তে ২ থেকে ৩ পিএসআই সরবরাহ করা হচ্ছে। যা চাহিদার তুলনায় একেবারে নগণ্য বলে জানিয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) এসএম জাহিদুল ইসলাম।

বাংলানিউজকে তিনি বলেন, নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ সুন্দলপুর এবং বেগমগঞ্জের প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র থেকে লক্ষ্মীপুরে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। গত এক মাস ধরে সুন্দলপুরে গ্যাস সংকটের কারণে সরবরাহ বন্ধ হয়ে আছে। এখন শুধু বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। লক্ষ্মীপুরে যে গ্যাস লাইন এসেছে তা ১৫০ পিএসআই চাপ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন। কিন্তু এই চাপে এ পর্যন্ত কখনো গ্যাস আসেনি। স্বাভাবিক সময়ে ৩০ থেকে ৩৫ পিএসআই চাপে গ্যাস আসতো। কিন্তু এ মুহূর্তে ২ থেকে ৩ পিএসআই চাপে গ্যাস আসছে। যা চাহিদার তুলনায় একেবারে কম। এ জন্য গ্রাহকরা গ্যাস কম পাচ্ছেন। এছাড়া শীত মৌসুমের কারণেও গ্যাসের চাপ কিছুটা কম থাকে।

তবে গ্যাসের এ সমস্যা কবে নাগাদ সমাধান হবে তা জানাতে পারেননি এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন

বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএম এর নোয়াখালী জেলার সভাপতি ডাঃ এম এ নোমান,চাটখিল কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া।

চাটখিলে ডিয়ার ছোয়াদ এজেন্সির হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান (রুবেল ভূঁইয়া) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রতিষ্ঠানের চলমান উন্নয়ন এবং মাঠ সম্প্রসারণের কাজ সম্পর্কে অবগত করেন এবং মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন-এইচ এম ইব্রাহিম

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া বলেন,ঐতিহ্যবাহী চাটখিল কামিল মাদ্রাসা একটি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলায়েত হোসেন আশা করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় সর্বসাধারনের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত এর মতবিনিময়

Comments are closed.