রায়পুর থেকে পাচার হচ্ছে গলদা চিংড়ির রেণু, সহযোগিতা করছেন প্রভাবশালী চক্র

214

মেঘনা উপকুলীয় লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা থেকে মৌসুমে প্রায় ৩শ কোটি টাকার গলদা চিংড়ি রেণু পোনা যায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলে। নিষিদ্ধ হওয়া সত্বেও বছরের চৈত্র থেকে জৈষ্ঠ্য মাস পর্যন্ত উপকুলীয় এলাকার প্রায় ১৭ হাজার জেলে মেঘনা নদী ও তার সংযোগ খাল থেকে এ পোনা সংগ্রহ করে। জেলেদের সংগ্রহ করা পোনা কেনার জন্য যশোর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর থেকে মৌসুমের শুরু থেকে প্রতিদিন ব্যবসায়ীরা মেঘনা উপকূলে ভীড় জমাচ্ছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেঘনার চাঁদপুরের হাইমচর থেকে রামগতির আলেকজেন্ডার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার নদী এলাকায় গলদা চিংড়ি পোনার অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র। বছরের চৈত্র মাস থেকে জৈষ্ঠ্য মাস পর্যন্ত এ চিংড়ি চাষের উপযুক্ত সময়। এতে মৌসুমে মেঘনা পাড়ের প্রায় ২০ হাজার জেলে, শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ ও মাঝারি বয়সের ছেলে মেয়েরা মশারি, নেট জাল, মশারি জাল, বিহিন্দি, কারেন্ট ও নেটওয়ার্ক জাল, ছাকনি ও চাদর দিয়ে নির্বিচারে নিধন করছে চিড়িংর রেণু পোনা ( গলদা চিংড়ি) । পোনা শিকারের সময় অন্যান্য প্রজাতির মাছের পোনাও মশারি ও জালে আসলে জেলেরা গলদা চিংড়ির পোনা বেছে নেন। এতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনাও নিধন হয়। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নিরাপদ হিসাবে সড়ক পথ দিয়ে রায়পুর হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার হচ্ছে দেশের গলদা চিংড়ি। এ নিষিদ্ধ রেণু ধরা ও পাচারের সাথে সরাসরি সহযোগিতা করছেন সরকারদলীয় কিছু লোক। তাঁরা নিষিদ্ধ সময়ে কোটি কোটি জাটকা ইলিশ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি মেঘনা পাড়ে গিয়ে যশোর, খুলনা, মাদারীপুর ও বাগেরহাট থেকে পোনা সংগ্রহ করতে আসা ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জেলেদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপকূলীয় নদী এলাকায় মৌসুমে গলদা চিংড়ির পোনার প্রায় ৩০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়। পোনা সংগ্রহ করার জন্য দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন। এ ব্যবসাকে ঘিরে নদীর পাড়ে বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন হাট বসে। ব্যবসায়ীরা জেলেদের কাছ থেকে প্রতিটি পোনা ২.৫ থেকে ৩ টাকা দরে ক্রয় করেন। তাঁরা ড্রাম ও বড় পাতিল ভর্তি করে পিকআপ ভ্যান, মাঝারি ট্রাক, বাস যোগে দক্ষিণাঞ্চলে নিয়ে চিংড়িঘের মালিকদের কাছে প্রতিটি পোনা বিক্রি করেন ৫ থেকে ৬ টাকায় এবং পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে বিক্রি করার কথা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। ভারতে এই গলদা চিংড়ি রেণুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। খুলনা কপিলমনি থেকে আসা পোনা ব্যবসায়ী রহমান ও খুলনার দেবীপুরের মো. রেজাউল জানান, পোনা কেনার জন্য তাঁরা তিন দিন আগে রায়পুরে এসেছেন। চাহিদা মত পর্যাপ্ত পোনা সংগ্রহ করতে না পারায় স্থানীয় মেঘনা বাজার ও হাজিমারা বাজারে রাত্রি যাপন করেন। রহমান এ বছর ১০ লাখ পোনা সংগ্রহ করবেন বলে জানান। স্থানীয় হাজীমারা গ্রামের সাজু ব্যাপারী বলেন, ‘উপকূলের ২০ হাজার জেলে প্রতিদিন নদী থেকে গলদা চিংড়ির পোনা শিকার করেন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরা এসে পোনা কিনে নিয়ে যান। এ মৌসুমে মেঘনা পাড়ের গলদা চিংড়ি শিকারীদের পকেট জমজমাট, মুখে থাকে হাসি।’ এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে রায়পুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন সবুজ বলেন, এ ব্যাপারে আমরা কয়েকটি ইউনিয়নে সচেতনতা সভা করেছি কোস্টগার্ডও তাদের দায়িত্ব পালন করছে। নদী থেকে গলদা চিংড়ির পোনা ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ পোনা ছাকনি বা মশারি দিয়ে ধরার কারণে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনাও ধ্বংস হয়। জাটকার পাশাপাশি এ পোনা শিকারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলছে। অতিদ্রুত পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন

বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএম এর নোয়াখালী জেলার সভাপতি ডাঃ এম এ নোমান,চাটখিল কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া।

চাটখিলে ডিয়ার ছোয়াদ এজেন্সির হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান (রুবেল ভূঁইয়া) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রতিষ্ঠানের চলমান উন্নয়ন এবং মাঠ সম্প্রসারণের কাজ সম্পর্কে অবগত করেন এবং মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন-এইচ এম ইব্রাহিম

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া বলেন,ঐতিহ্যবাহী চাটখিল কামিল মাদ্রাসা একটি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলায়েত হোসেন আশা করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় সর্বসাধারনের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত এর মতবিনিময়

Comments are closed.