বছরে ৫০ কোটি মেট্রিকটন ক্ষতিকর পোকামাকড় খায় পাখি

172

পাখি ছাড়া সবুজ কোনো প্রান্তর কল্পনা যেন জুতসই হয় না। আবার পাখির কিচির-মিচির কোলাহল ছাড়া প্রকৃতির আমেজও যেন ঠিক উপভোগ করা যায় না। পাখি শুধু প্রকৃতিতে দৃশ্যমান থেকে প্রকৃতির সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বাস্তুসংস্থান চক্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ক্ষতিকর পোকামাকড় দমনে পাখির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
প্রতিবছর সারাবিশ্বের পাখিরা ৪০ থেকে ৫০ কোটি মেট্রিকটন ক্ষতিকর পোকামাকড় খায়। বিভিন্ন গবেষণাপত্র পর্যালোচনা করে এ তথ্য দিয়েছেন সুইজারল্যান্ডের একদল গবেষক।
গুবরে পোকা, মাছি, পিঁপড়া, মথ, জাবপোকা, ঘাসফড়িং, ঝিঁঝিঁ পোকাসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থোপোডা খায় পাখিরা। গবেষকরা বলছেন, উদ্ভিদখেকো পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাখিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
পাখিরা সাধারণত চাষাবাদের মৌসুমে পোকামাকড় শিকার করে। এসময় তাদের প্রচুর পরিমাণ প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। এছাড়া ছানাদের খাবারের জন্যও তারা শিকার করে।
গবেষণা দলের প্রধান ড. মার্টিন নিফেলার বলেন, পাখিরা প্রতিবছর পোকামাকড় খেয়ে যে পরিমাণ শক্তি সঞ্চয় করে তা নিউইয়র্ক শহরের আকারের সমান হবে।
বনে থাকা পাখিরা ৭০ শতাংশ পোকামাকড় খেয়ে ফেলে। যা মোট হিসাব করলে প্রতিবছর ৩০ কোটির মতো দাঁড়ায়। তৃণভূমি, ফসলি জমি, মরুভূমিতে থাকা পাখিরা বনে থাকা পাখির তুলনায় অনেক কম পরিমাণ পোকামাকড় খায়।
পাখি ছাড়া খুব অল্পসংখ্যক অন্য প্রাণী ক্ষতিকর পোকামাকড় খায়। এদের দলে আছে মাকড়সা ও অন্য পোকামাকড়খেকো প্রাণী।
তবে পাখিদের বিপন্ন হওয়ার কথাও বলেছেন গবেষকরা। ড. নিফেলার বলেছেন, পাখিরা বিপন্ন হুমকির মধ্যে রয়েছে। এর অন্যতম কারণ বনের সংখ্যা কমে যাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষিতে রাসায়নিক তীব্রতা বৃদ্ধি, মানুষসৃষ্ট কিছু দুর্যোগ প্রভৃতি।
তিনি আশঙ্কা করে বলেন, এসব বৈশ্বিক হুমকির সমাধান না করা গেলে বাস্তুসংস্থান প্রক্রিয়া হুমকির মুখে পড়বে। কেননা পাখিরা ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে যে উপকার করে সেটা কমে যাবে।
সুইজারল্যান্ডের বাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি গবেষণায় এ তথ্য উপস্থাপন করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ১০৩টি গবেষণা পর্যালোচনা করে তারা এ সংখ্যা হিসাব করেছেন। গবেষণাটির প্রধান ছিলেন মার্টিন নিফেলার। গবেষণাটি ‘দ্য সায়েন্স অব ন্যাচার’ নামে একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএম এর নোয়াখালী জেলার সভাপতি ডাঃ এম এ নোমান,চাটখিল কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া।

চাটখিলে ডিয়ার ছোয়াদ এজেন্সির হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান (রুবেল ভূঁইয়া) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রতিষ্ঠানের চলমান উন্নয়ন এবং মাঠ সম্প্রসারণের কাজ সম্পর্কে অবগত করেন এবং মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন-এইচ এম ইব্রাহিম

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া বলেন,ঐতিহ্যবাহী চাটখিল কামিল মাদ্রাসা একটি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলায়েত হোসেন আশা করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় সর্বসাধারনের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত এর মতবিনিময়

Comments are closed.