ফেনীতে ছাত্রীর গায়ে আগুন দেওয়া চারজনই ছিল বোরকা পরা

237

ফেনীর সোনাগাজীতে এক পরীক্ষার্থীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া চার দুর্বৃত্তই ছিল বোরকা পরা। এ কারণে তিনি কাউকেই চিনতে পারেননি। তবে চারজনের মধ্যে একজন নারীকণ্ঠে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছে। বাকি তিনজন কোনো কথা বলেনি। ওই পরীক্ষার্থী এবার আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন।

ওই পরীক্ষার্থী ভাই আজ শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সামনে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ঘটনার পর তাঁর বোন তাঁদের এ কথা জানিয়েছেন। অগ্নিদগ্ধ ওই পরীক্ষার্থী বর্তমানে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। এই ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।

ওই পরীক্ষার্থীর ভাই বলেন, ঘটনার পর তাঁর বোন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছু কথা বলেন। বোনের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, পরীক্ষার কেন্দ্রে যাওয়ার পর একজন পরীক্ষার্থী তাঁকে বলে, তাঁর এক বান্ধবীকে কারা যেন ছাদে মারধর করছে। এটা শুনে তাঁর বোন ছাদে যায়। সেখানেই এই ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, বোনের কথা শুনে মনে হয়েছে, বোরকা পরা চারজন মিলে তাঁর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আর যে তাঁকে ছাদে যেতে প্রলুব্ধ করেছে, সেও এদের সঙ্গে যুক্ত। তবে এদের পরিচয় জানা যায়নি। এরা নারীর বেশ ধরে পুরুষও হতে পারে বলে তাঁর ধারণা।

ওই পরীক্ষার্থীর ভাইয়ের দাবি, ২৭ মার্চের ঘটনার জের ধরে সোনাগাজীর একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ তাঁর লোকজন দিয়ে আজকের ঘটনা ঘটিয়েছেন। ওদিন ওই অধ্যক্ষ মাদ্রাসার নিজ কক্ষে তাঁর বোনকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। রাজি হলে আলিম পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগে দেওয়া হবে বলে অধ্যক্ষ উল্লেখ করেন। এ ঘটনায় মামলা হওয়ায় অধ্যক্ষ এখন কারাগারে আছেন।

২০১৬ সালে দাখিল পরীক্ষা দেওয়ার সময়ও এলাকার দুর্বৃত্তরা ওই পরীক্ষার্থীর ওপর হামলা চালিয়েছিল। সেবার মেয়েটির চোখে চুন মারা হয়। এতে তাঁর ডান চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে আজকের ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, সেটি ওই পরীক্ষার্থীর ভাই বুঝতে পারছেন না।

অগ্নিদগ্ধ শিক্ষার্থীর আত্মীয়রা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জানান, মেয়েটি যে মাদ্রাসায় পড়েন, সেখানে অধ্যক্ষ নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন। এর বিরুদ্ধে মাদ্রাসা পরিচালন কমিটি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

তবে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ঘটনাটি পুলিশ খুব গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে খতিয়ে দেখছে। এ ঘটনায় কে বা কারা জড়িত, তা তদন্ত করে বের করা হবে। ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন

দাখিল পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল চাটখিল কামিল মাদ্রাসা।

চাটখিলে দাখিল পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএম এর নোয়াখালী জেলার সভাপতি ডাঃ এম এ নোমান,চাটখিল কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া।

চাটখিলে ডিয়ার ছোয়াদ এজেন্সির হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান (রুবেল ভূঁইয়া) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রতিষ্ঠানের চলমান উন্নয়ন এবং মাঠ সম্প্রসারণের কাজ সম্পর্কে অবগত করেন এবং মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন-এইচ এম ইব্রাহিম

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া বলেন,ঐতিহ্যবাহী চাটখিল কামিল মাদ্রাসা একটি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

Comments are closed.