নোয়াখালী-৫ আসনে তিন লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী ওবায়দুল কাদের

274

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে ক’টি আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তার মধ্যে নোয়াখালী-৫ আসন অন্যতম।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট থানা নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসন। যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

দুই দলের এ দুই সেরা প্রার্থীর লড়াইয়ে কে জেতে, কে হারে- এ নিয়ে জ্বল্পনা-কল্পনার কমতি ছিল না ভোটার থেকে শুরু করে সারা দেশের সব দলের মানুষের মধ্যে।

রোববার সারাদিন ভোট গ্রহণ শেষে যখন গণনা শুরু হলো, তখন সারা দেশে অন্য আসনগুলোর মতোই আওয়ামী লীগের জয়জয়কার এই আসনেও।

দিন শেষে ১২৩টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ব্যবধানে মওদুদ আহমদকে হারিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি পেয়েছেন ৩ লাখ ২০ হাজার ৭৬৫ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মওদুদ আহমদ পেয়েছেন মাত্র ১০৯৭০ ভোট। অর্থাৎ, বিএনপি প্রার্থী মওদুদ আহমদকে ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৪ ভোটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

এর আগে এই আসন থেকে ৫ বার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ওবায়দুল কাদের। জিতেছিলেন ৩ বার। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি জিতেছিলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

২০০৮ সালেও মওদুদ আহমদকে পরাজিত করেছিলেন কাদের। সেবার পেয়েছিলেন ১ লাখ ১২ হাজার ৫৭৫ ভোট। ২০০১ সালের নির্বাচনে হেরেছিলেন মওদুদের কাছে। সেবার কাদের পান ৪৫ হাজার ৯৭২ ভোট।

এর আগে প্রথমবার ওবায়দুল কাদের বিজয়ী হয়েছিলেন ১৯৯৬ সালে। সেবার কাদের পেয়েছিলেন ৪০ হাজার ২৮০ ভোট। এর আগে ১৯৯১ সালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। তখন পেয়েছিলেন ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট।

মওদুদ আহমদ এর আগে চারবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে এই আসনে জিতেছিলেন ২ বার। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন জাতীয় পার্টি থেকে লাঙল প্রতীক নিয়ে। সেবার ৩১ হাজার ৪৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন তিনি।

১৯৯৬ সালে ওবায়দুল কাদেরের কাছে হেরে যান মওদুদ। সেবারও মওদুদ ছিলেন জাতীয় পার্টিতে। নির্বাচন করেন লাঙল প্রতীক নিয়ে। ২৮ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হন মওদুদ।

২০০১ সালে মওদুদ নির্বাচন করেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে। তখন তিনি হারান ওবায়দুল কাদেরকে। পেয়েছিলেন ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট।

সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে ওবায়দুল কাদেরের কাছে হেরে যান মওদুদ। তবে মওদুদ পেয়েছিলেন ১ লাখ ১১ হাজার ২০৪ ভোট। কিন্তু এবার মওদুদ পেলেন মাত্র ১০ হাজার ৯৭০ ভোট।

আরও পড়ুন

এ সময় বক্তারা আদালতের রায় ও ডাক্তারের চিকিৎসা পত্র বাংলা ভাষায় লিপিবদ্ধ করার জন্য জোরালো দাবি জানান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

অল্পদিনের মধ্যেই এখানকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গতিশীল হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অন্যায়, অবিচার, অনিয়ম ও চাঁদাবাজ আমার কাছে প্রশ্রয় পাবে না।

নিজ এলাকায় জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন এইচ এম ইব্রাহিম এমপি

মফস্বলে সাংবাদিকতা করা একটা চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম।

মফস্বল সাংবাদিকতা করা একটা চ্যালেঞ্জ – এইচ এম ইব্রাহিম

এইচ এম ইব্রাহিম বলেন,আমার নির্বাচনী এলাকার অসুবিধাগ্রস্থ মানুষদের মাঝে অতীতের ন্যায় এবারও আমি শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। আমার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে আমি প্রায় পঞ্চাশ হাজার পরিবারের কাছে এই শীতবস্ত্র পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছি।

নোয়াখালী-১ আসনে এইচ এম ইব্রাহিম এমপির শীতবস্ত্র বিতরণ

গ্রেপ্তার হওয়া মোশারফ হোসেন টিটু (২২) কবিরহাট থানার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লাতু সওদাগর বাড়ির মৃত মিয়াধনের ছেলে। সে পেশায় একজন মোবাইল মেকানিক।

কবিরহাটে ভাবির ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে দেবর গ্রেপ্তার

Comments are closed.