নোয়াখালীতে হেফাজতের হামলায় ৪ সাংবাদিক আহত

0 75

নোয়াখালীতে হেফাজত ইসলামের হরতাল সমর্থনের মিছিল থেকে টিভি সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চার সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

রোববার (২৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চৌমুহনীর চৌরাস্তায় জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটে অবস্থিত কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এসময় ওই মার্কেটের নীচে ও উপরে বেশ কয়েকটি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে হেফাজতের কর্মীরা।

হামলায় একাত্তর টিভি ও জাগো নিউজের প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, বাংলা টিভির প্রতিনিধি ইয়াকুব নবী ইমন, ক্যামরাপার্সন মনির হোসেন, এশিয়ান টিভি ও আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিনিধি মানিক ভূঁইয়া আহত হন।

হামলাকারীদের ছোড়া ইট-পাটকেল ও লাঠির আঘাতে অফিসের দরজার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভেঙে যায়। এর আগে হামলাকারীরা অফিসের নীচে থাকা একাত্তর টিভি ও বাংলা টিভির মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করে।

স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে বেগমগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরীর গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস ফ্যাক্টরিতে যাওয়ার সময় কালাপুল নামক স্থানে স্থানীয় সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরণের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের বাদানুবাদ হয়। এসময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা কর্মীরা হরতালের সমর্থনে পিকেটিংকারী হেফাজতের দুই কর্মীকে মারধর করে। এ ঘটনার পর থেকে চৌরাস্তায় অবস্থানকারী হেফাজত কর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর পর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চৌমুহনী থেকে আরো কয়েকশ হেফাজত কর্মীরা লাঠি সোটাসহ মিছিল নিয়ে চৌরাস্তায় জড়ো হয়। পরে তারা টিভি সাংবাদিক ফোরাম কার্যালয়সহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ এমরান ও বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান শিকদার, তদন্ত ওসি রুহুল আমিনসহ পুলিশ সদস্য টিভি অফিস পরির্দশন করেন।

আরও পড়ুন

গণমাধ্যমে তথ্য প্রদানে নিষেধাজ্ঞা জারি সংবিধানের মৌলিক অধিকার পরিপন্থী।

তথ্য প্রদানে নিষেধাজ্ঞা,গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরাসরি হস্তক্ষেপ : ব্যারিস্টার মাহবুব…

ফজলুর রহমান মধু (৩৬) নোয়াখালী চাটখিল উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়ন শ্রীপুর গ্রামের সাব মিয়ার ছেলে।

পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী অথচ মানতে নারাজ এলাকার মানুষ

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।