নোয়াখালীতে হবে দেশের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর

330

দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণে উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীতে দৃশ্যমান হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দর। জেলা শহর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে ধর্মপুর ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে এই বিমানবন্দর। নোয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পুরনো রানওয়েসহ বিশাল জায়গায় প্রস্তাবিত বিমানবন্দরের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নির্মাণ কাজের পরামর্শক নিয়োগ শেষে সমীক্ষা যাচাইয়ের জন্য নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী অক্টোবরের মধ্যে বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে এই বিমানবন্দর বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালী থেকে দ্রুত রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ অন্যান্য স্থানে আকাশ পথে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে প্রস্তাবিত এই বিমানবন্দর। গত ২২ জুলাই বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামালসহ মন্ত্রণালয় এবং সিভিল এভিয়েশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে বিমানবন্দরের জায়গা পরিদর্শন করেন। তাদের স্বাগত জানাতে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর এলাকায় বিশাল এক জনসভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল বিমানবন্দর স্থাপনের ঘোষণা দেন। মন্ত্রী বলেন, নোয়াখালীর সন্তান হিসেবে এখানে বিমানবন্দর নির্মাণ করা আমার একটি স্বপ্ন ছিল। সমীক্ষা শেষে রিপোর্টের পর নোয়াখালীতে বিমানবন্দর স্থাপন করা হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।

জানা যায়, স্বাধীনতার পর উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ ফসলি জমিতে কৃষি বিভাগ কীটনাশক ছিটানোর জন্য প্রায় ৪০ একর জায়গা অধিগ্রহণ করে ছোট বিমান অবতরণের জন্য রানওয়ে নির্মাণ করে। ব্যবহার না হওয়ায় দীর্ঘসময় ধরে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। বিগত সময়ে সরকারপ্রধানদের কাছে বৃহত্তর নোয়াখালীবাসী বিমানবন্দরের জন্য বারবার দাবি জানিয়ে এলেও তা কেউ কার্যকর করতে এগিয়ে আসেননি। অবশেষে বর্তমান সরকারের মেয়াদে আলোর মুখ দেখছে এই বিমানবন্দরের নির্মাণ কার্যক্রম।এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আতাউর রহমান ভুইয়া মানিক জানান, রাজধানী ঢাকা ও বন্দর নগরীতে ব্যবসার কাজে আমাদের প্রায়ই যাতায়াত করতে হয়। বিমানবন্দর নির্মাণ হলে এই এলাকার অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।

নোয়াখালীর প্রস্তাবিত বিমানবন্দরের বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী জানান, নোয়াখালী বিমানবন্দর এখন আর স্বপ্ন নয় এটা বাস্তব। আমি কয়েক দফা বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করেছি। জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবিটি যৌক্তিক। এখানে উৎপাদিত ধান, ফসলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ দেশে-বিদেশে রপ্তানি করা হয়। বিমানবন্দর নির্মাণ শেষ হলে এটি হবে দেশের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর।

আরও পড়ুন

অল্পদিনের মধ্যেই এখানকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গতিশীল হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অন্যায়, অবিচার, অনিয়ম ও চাঁদাবাজ আমার কাছে প্রশ্রয় পাবে না।

নিজ এলাকায় জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন এইচ এম ইব্রাহিম এমপি

মফস্বলে সাংবাদিকতা করা একটা চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম ইব্রাহিম।

মফস্বল সাংবাদিকতা করা একটা চ্যালেঞ্জ – এইচ এম ইব্রাহিম

এইচ এম ইব্রাহিম বলেন,আমার নির্বাচনী এলাকার অসুবিধাগ্রস্থ মানুষদের মাঝে অতীতের ন্যায় এবারও আমি শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। আমার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে আমি প্রায় পঞ্চাশ হাজার পরিবারের কাছে এই শীতবস্ত্র পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছি।

নোয়াখালী-১ আসনে এইচ এম ইব্রাহিম এমপির শীতবস্ত্র বিতরণ

গ্রেপ্তার হওয়া মোশারফ হোসেন টিটু (২২) কবিরহাট থানার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লাতু সওদাগর বাড়ির মৃত মিয়াধনের ছেলে। সে পেশায় একজন মোবাইল মেকানিক।

কবিরহাটে ভাবির ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে দেবর গ্রেপ্তার

Comments are closed.