নির্ভুল রিপোর্ট প্রদানে ল্যাবএইডে নতুন সিটি স্ক্যান স্থাপন

0 152

নির্ভুল এবং দ্রুত রিপোর্ট প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে ল্যাবএইড নোয়াখালী শাখায় যুক্ত হলো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিশ্ববিখ্যাত সিমেন্স এর সিটি স্ক্যান।

১০ জুন (শুক্রবার) দুপুরে নোয়াখালীর চৌরাস্তা আলীপুর রোড়ে অবস্থিত ল্যাবএইড এর নতুন সিটি স্ক্যানটি ফিতা ও কেক কেটে উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ অসীম কুমার চৌধুরী, ল্যাবএইড নোয়াখালীর ব্রাঞ্চ ইনচার্জ রাশেদুল হাসান ফরাজী, ডায়াবেটিস, বক্ষ্যব্যাধি ও গাইনী রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ তাসনিয়া সহ ল্যাবএইড এর অন্যান্য কর্মকর্তা এবং ল্যাব স্পেশালিষ্টবৃন্দ।

এ সময় ল্যাবএইড কর্তৃপক্ষ জানান, নোয়াখালীর মানুষের স্বাস্থ্যসেবার কথা চিন্তা করে খুব দ্রুত সময়ে নির্ভুল রিপোর্ট প্রদানের লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তির নতুন সিটি স্ক্যান টি স্থাপন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য “সুখে অসুখে আপনার পাশে” এই শ্লোগানে ২০১৮ সালের মে মাসে দেশের স্বনামধন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টার ল্যাবএইড এর ২৪তম শাখা হিসেবে নোয়াখালীতে যাত্রা শুরু করে। পথ চলার শুরু থেকে আজ অবধি সুনামের সাথে রোগ নির্ণয়ের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠান টি।

রয়েছে আধুনিক সব সরঞ্জাম সহ সুসজ্জিত ল্যাবরেটরী, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ল্যাব স্পেশালিষ্ট।

সিটি স্ক্যান করার মাধ্যমে মুলত শরীরের ভেতরের নিখুঁত ছবি পাওয়া যায়। ফলে মানুষের বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে পরীক্ষাটি সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

যেসব ক্ষেত্রে সিটি স্ক্যান করা হতে পারে:-

১.ক্যান্সার বা টিউমার নির্ণয়।
২.মস্তিষ্কের রোগ বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে কিনা সেটি নির্ণয়।
৩.হৃদযন্ত্রের কোন রোগ বা রক্ত প্রবাহে কোন বাধা রয়েছে কিনা জানতে।
৪.ফুসফুসের রোগ নির্ণয়।
৫.হাড় ভাঙ্গা বা অন্য কোন সমস্যা নির্ণয়।
৬.কিডনী বা মূত্রসংবহন তন্ত্রের কোন রোগ বা পাথর সনাক্ত করণ।
৭.পিত্তথলি, লিভার বা অগ্নাশয়ের রোগ নির্ণয়,
৮.বায়োপসি করার ক্ষেত্রে গাইড হিসেবে সিটি স্ক্যানের সাহায্য নেয়া হতে পারে।
৯.ক্যান্সার রোগীর ক্যান্সারের বিস্তৃতি সম্পর্কে জানতে সিটি স্ক্যান করা হয়।
১০.এছাড়া যেসব রোগীকে পেস মেকার, ভাল্ব বা এ জাতীয় যন্ত্র দেওয়া হয়েছে তাদের এমআরআই করা যায় না, এ কারণে সিটি স্ক্যান করতে হয়।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।