নদীতে নিষেধাজ্ঞা, ডাঙায় জেলেরা তুনছেন জাল

150

ইলিশের প্রজনন মৌসুম চলছে।মেঘনায় মাছ ধরতে নিষেধাজ্ঞা। জেলেরা শিকারে যা্চ্ছেননা। যতদূর চোখ যায় নদীতে নৌকা নেই। জেলেরা এখন ডাঙ্গায়। তাবুও তাদের বিরাম নেই। শিকারে নয়; এখন তারা ব্যস্ত জাল তুনে-বুনে ঠিকঠাক করতে।

লক্ষ্মীপুরের মেঘনাপাড়ে প্রায় ৬০ হাজার জেলের বসবাস। জেলার রামগতি, কমলনগর, রায়পুর ও সদর উপজেলার জেলেরা মাছ ধরে জীবিকা চালায়। এখানকার জেলেদের বিকল্প কাজ নেই, মাছ শিকার একমাত্র পেশা। যখন নদীতে মাছ ধরতে নিষেধাজ্ঞা চলে তখন তারা জালের রশি বদলানো, ছেড়া জাল মেরামত ও মাছ ধরার নৌকা সংস্কার করেন।

মঙ্গলবার ( ৯ অক্টোবর) বিকালে কমলনগরের  ফলকন ও মাতাব্বরহাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায় জেলেরা দল বেধে জাল তুনছেন। কেউ কেউ নৌকা ও নৌকার ইঞ্জিন ঠিক করছেন। এসময় নদীতে কোনো মাছ ধরার নৌকা চোখে পড়েনি।

মেঘনাপাড়ের জেলেরা বলছেন, এবার নদীতে কাঙ্খিত ইলিশ ধরা পড়েনি। মহাজনের দাদনের টাকাও শোধ হয়নি। শিকারে গিয়ে জাল-নৌকার বেশ ক্ষয় হয়েছে। নতুন করে জাল কেনার পুঁজি নেই। ছেড়া জাল সেলাই করে রাখছেন; নিষেধা্জ্ঞা শেষে এ জালে মাছ ধরবেন।

গত রোববার ৭ অক্টোবর থেকে ইলিশের প্রজনন মৌসুম শুরু হয়েছ। চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত । এ ২২দিন লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে ইলিশসহ সকল প্রজাতির মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রজনন ক্ষেত্রে মাছ ধরা যাবে না। এসময় মাছ শিকার, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ। এ আইন আমান্য করলে জেল অথবা জরিমানা এবং উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে। মাছ ধরতে না পারায় স্থানীয় জেলেরা এখন ডাঙ্গায় মাছ ধরার সব উপকরণ ঠিকঠাক করে নিচ্ছেন।

লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম মহিব উল্লাহ বলেন, লক্ষ্মীপুরের রামগতি থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার মেঘানা নদী এলাকায় মাছ ধরা যাবে না। এ আইন আমান্য করলে ১ বছর থেকে ২ বছরের জেল অথবা জরিমানা এবং উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে।নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা ফের নদীতে জাল পেলবেন।সে লক্ষ্যে তারা জাল ও নৌকা মেরামত করতে ব্যস্ত।

আরও পড়ুন

বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএম এর নোয়াখালী জেলার সভাপতি ডাঃ এম এ নোমান,চাটখিল কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া।

চাটখিলে ডিয়ার ছোয়াদ এজেন্সির হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান (রুবেল ভূঁইয়া) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রতিষ্ঠানের চলমান উন্নয়ন এবং মাঠ সম্প্রসারণের কাজ সম্পর্কে অবগত করেন এবং মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন-এইচ এম ইব্রাহিম

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া বলেন,ঐতিহ্যবাহী চাটখিল কামিল মাদ্রাসা একটি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলায়েত হোসেন আশা করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় সর্বসাধারনের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত এর মতবিনিময়

Comments are closed.