দূষণ ও দখলের কবলে মহেন্দ্র খাল,চাটখিল সোনাইমুড়ীবাসীর জন্য অস্বস্তির কারণ।

0 6

অবৈধ দখলদারদের দখলে ও ময়লা আবর্জনায় হারিয়ে যাচ্ছে চাটখিল ও সোনাইমুড়ী বাজার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঐতিহাসিক মহেন্দ্র খাল,নোয়াখালী ও কুমিল্লার আংশিক অঞ্চলকে রক্ষায় পানি নিষ্কাশন ও সেচ কাজের সুবিধার জন্য এ খালটি খনন করা হয়।সর্বশেষ ১৯৮০-৮১ সালে মহেন্দ্র খালের আংশিক অংশের সংস্কার করা।বর্তমানে এক শ্রেণির প্রভাবশালী অপব্যবহার করে খালের মাঝখানে পাকা পিলার দিয়ে দোকান ঘর নির্মাণ করে পুরো খাল দখলে করে নিচ্ছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়,মহেন্দ্র খালের চাটখিল পৌরসভা অংশে খালের অস্তিত্ব বিলিনের পথে। পৌরসভা অংশের চাটখিল বাজার ও আবাসিক এলাকার পঁচা আবর্জনা ফেলে খালের অস্তিত্ব বিলিন করে দিচ্ছে।চাটখিল পৌর বাজারে প্রবেশ পথের ব্রিজ এর নিচের অংশে আবর্জনা ফেলায় ভরাট হয়ে গেছে খালটির চাটখিল পৌর এলাকা, দশঘরিয়া বাজার, সাহাপুর বাজার এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে খাল ভরাট হয়ে যাচ্ছে।

এ ছাড়াও দেখা যায়, চাটখিল থেকে সোনাইমুড়ীর পথে নদনা বাজার, বাংলা বাজার, জয়াগ বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে মহেন্দ্র খাল প্রভাবশালীরা দখল করে ভরাট করে নিয়েছে যার অস্তিত্ব বিলিন হয়ে যাচ্ছে। এবং জনদুর্ভোগে ভুক্তে হচ্ছে এ অঞ্চলের কৃষকরা ধ্বংস হচ্ছে ফসলী জমিন কখনো জলাবদ্ধতা কখনো বা প্রচণ্ড রোদে ফেটে যায় জমে ফসলি জমির উর্বরতা কমে যায় খাল ভরাটের ফলে সেচ দিতে পারছেনা তারা পোহাতেন হয় জনদুর্ভোগ আশানুরূপ ফসল তুলতে না পারায় চোখে মুখে থাকে হতাশার চাপ।এক সময়ের খরস্রোতা খালটি এখন নালায় পরিণত হয়েছে।

এই অঞ্চলে বসবাসকারী স্থানীয়রা জানান, মোঘল আমলের বহু পুরোনো খালটি ১৯০৫-১৯১০ সালের মধ্যে স্থানীয় জমিদার খালটি সংস্কার করেন।এ খালটি আমাদের ঐতিহাসিকবহন করে। বহু বছরের পুরনো মহেন্দ্র খাল জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হোক। এ ছাড়া কৃষিনির্ভর এলাকার কৃষকরা যাতে এ খালের পানি সেচ দিয়ে ফসল উৎপাদন করতে পারে সে ব্যবস্থাও নেয়া দরকার দাবী জানান তারা।

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খান জানান,খালটি সরু হয়ে গেছে জানতে পারলাম,আমরা উন্নয়ন সভায় এ বিষয় আলোচনা করেছি, নির্দেশনা দিয়েছি অতি শীঘ্রই অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন জানান,আমরা অলরেডি টেন্ডার করেছি,আমরা করোনার কারণে পিছিয়ে আছি করোনা প্রাদুর্ভাব যদি না থাকে তাহলে আমরা আগামী শুকনো মৌসুম থেকে কাজ শুরু করবো আগামী অক্টোবর নভেম্বর থেকে আমাদের যখন খাল খনন শুরু হবে তখন থেকে অবৈধ স্থাপনা গুলো উচ্ছেদ করা হবে।এগুলো তো প্রভাবশালীদের দখলে কারো অনুমতি ছাড়া করতেছে,আমাদের কাছে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের পাওয়ার নেই যে আমরা গিয়ে গুলো উচ্ছেদ করবো,জেলা প্রশাসন যদি আমাদের জানায়,আমরা লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে পারবো।

চাটখিল পৌরসভার মেয়র ভিপি নিজাম উদ্দিন জানান,মহেন্দ্র খালের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার ব্যবস্থা খুব শিগগিরই নেয়া হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য এইচএম ইব্রাহিম, জেলা প্রশাসকসহ সবার সহযোগিতা নিয়ে মহেন্দ্র খাল খননের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

আরও পড়ুন

ফজলুর রহমান মধু (৩৬) নোয়াখালী চাটখিল উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়ন শ্রীপুর গ্রামের সাব মিয়ার ছেলে।

পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী অথচ মানতে নারাজ এলাকার মানুষ

প্রেমিকার বিয়ের ঘটকালি করায় ঘটকের শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করে প্রেমিক বিকি ও তার সহযোগীরা

নোয়াখালীতে শিশু রাশেদ হত্যার চার বছর; সংঘবদ্ধভাবে বিদেশ পালিয়েছে খুনিরা

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।