চাটখিলে ৭ শত ৫৫ জন মুক্তিযোদ্ধা থাকলেও রাজাকার নেই একজনও!
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কর্তৃক স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারের তালিকা গত রোববার প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা ঘোষণা করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। প্রকাশিত তালিকায় নোয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলায় রাজাকারের নাম থাকলেও চাটখিল উপজেলায় কোন রাজাকারের নাম পাওয়া যায়নি। এদিকে চাটখিল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাংসদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীরের এলাকা চাটখিল। এ উপজেলায় রয়েছে খেতাব প্রাপ্ত ৪ জন বীর বিক্রম ও ৬ জন বীর প্রতীক। এ ছাড়াও রয়েছে ৭’শ ৫৫ জন মুক্তিযোদ্ধা।
তবে চাটখিল উপজেলায় রাজাকার তালিকায় নাম না থাকলেও নোয়াখালী অন্যান্য উপজেলাগুলোতে কম বেশি রয়েছে রাজাকারের তালিকায় স্থানপ্রাপ্তরা হলো- ফেনী সদরের বারাহীপুরের একরামুল হক, বারাহীপুরের মোঃ খায়েজ আহম্মদ, ফেনী শহরের বিরিঞ্চির শামসুদ্দিন আহমেদ, বাঁশপাড়ার মোঃ মকবুল আহমেদ, আহম্মদপুরের রফিকুল ইসলাম, উত্তর কাশিমপুরের মোঃ মিজানুর রহমান, দুধমুখার সিদ্দিক, এনায়েতপুরের হুমায়ুন কবির সেলিম, শ্রীপুরের আবদুল মালেক, শর্শদীর হাফিজ আহম্মদ, দেবীপুরের সিরাজ খান, কালীদহের মোঃ খায়েজ আহম্মদ ভূঞা, মাইজবাড়িয়ার মোঃ নুর ইসলাম, ফাজিলপুরের গোলাম রাব্বানী ভূঞা, আফতাব বিবির হাটের আবদুল খায়ের, দাগনভূইয়ার ইয়াকুবপুরের মাওলানা আবদুল হক, রামনগরের হামিদুল হক চৌধুরী, চাড়ীপুরের মোঃ মোস্তফা, রাজাপুরের ডুমুরিয়ার মোসলেহ উদ্দিন আহম্মেদ, সোনাগাজীর মতিগঞ্জের ভাদাদিয়া গ্রামের এটিএম আবদুল্লাহ চৌধুরী, কুঠিরহাটের মাওলানা আবদুল আজিজ, চরগণেশের এবিএম শামসুদ্দিন ও সাবেক সাব ডিভিশনাল অফিসার বেলাল আহমেদ খান।
