চট্টগ্রাম-ফেনী রুটের যাত্রীদের গলা কাটা ভাড়া নিচ্ছে স্টার লাইন পরিবহন

0 432

ফেনী পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মো. আলাউদ্দীন মালিকানায় স্টার লাইন পরিবহন ফেনী-ঢাকা ও ফেনী-চট্টগ্রাম রুটে বেশ কয়েক বছর ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। সম্প্রতিক ফেনী-ঢাকা রুটে এনা পরিবহনের বাসও যুক্ত হয়েছে। তবে জনপ্রিয়তা কমেনি স্টার লাইন পরিবহনের। ফেনী-ঢাকা রুটে বাস ভাড়া নিয়েও কেউ প্রশ্ন তুলছেনা। কারন এই রুটে দুই পরিবহন ২৭০ টাকা নন এসি বাসের ভাড়া নিয়ে থাকে যাত্রীদের কাছ থেকে। কিছু দিন পূর্বে ফেনী-ঢাকা রুটে চলাচল কারী বাস গুলোর মধ্যে ৩৫০ টাকা বাস ভাড়া নির্ধারণ করার অপচেষ্টা করেছিল স্টার লাইন পরিবহন। তবে এনা পরিবহনের শক্ত অবস্থানের কারনে সেটা সম্ভব হয়নি।

জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকলেও এই পরিবহনের বিরুদ্ধে ফেনী-চট্টগ্রাম রুটের যাত্রী সাধারণ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যাত্রীদের অভিযোগ একই রুটে টিশা পরিবহন, টিশা প্লাস, গ্রাম বাংলা পরিবহন নামের আরো তিনিটি পরিবহন নিয়মিত যাত্রী সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবহন গুলো পূর্বে ফেনী-চট্টগ্রাম রুটে ১০০ টাকা ভাড়া আদায় করতো যাত্রী সাধারণের কাছ থেকে। সাম্প্রতিক স্টার লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষের চাপে এখন ১২০ টাকা ভাড়া আদায় করছে তারা। কিন্তু স্টার লাইন পরিবহন প্রতি যাত্রী থেকে ১৫০ টাকা ভাড়া আদায় করছে।

একটি সূত্র জানায়, প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে ফেনী ও ফেনী থেকে চট্টগ্রাম রুটে প্রায় ৫ হাজার যাত্রী বাসে ভ্রমন করে থাকে। এই রুটে প্রায় ২ হাজার ৫ শত জন যাত্রী স্টার লাইন পরিবহন ব্যবহার করে। এই পরিবহনের জনপ্রিয়তা থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে যাত্রীদের অভিযোগের কমতি নেই। তবে এই রুটে চলাচল কারী স্টার লাইন পরিবহনের কোন গাড়ীর রুট পারমিট নেই বলেও জানা গেছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে স্টার লাইন পরিবহনের ব্যবস্থাপক জাফর উদ্দিন বলেন, আমাদের গাড়ীর পারমিট ঢাকা টু চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত। ফেনী থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত চলাচলের জন্য ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিবহন কমিটি বা চট্টগ্রাম জেলা আঞ্চলিক কমিটি থেকে কোন ধরনের রুট পারমিট নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে কোন উত্তর দিতে পারেনি এই কর্মকর্তা।

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সরকার নির্ধারিত ভাড়া নিচ্ছি। অতিরিক্ত কোন ভাড়া আদায় করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।