উন্নতশীল রাষ্ট্রের সুফল পেতে হলে নোয়াখালীতে বিমানবন্দর জরুরি প্রয়োজন

393

নোয়াখালী বাংলাদেশের প্রাচীন ও সমৃদ্ধশালী অঞ্চল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এ অঞ্চলে শিল্প সম্ভাবনার বিকাশ ঘটে। তৎকালীন সময়ে এ অঞ্চলে বেশ কয়েকটি শিল্প কারখানা গড়ে ওঠে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। কিন্তু যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও সুবিধার অভাবে ধ্বংসের মুখে পতিত হয় নোয়াখালী অঞ্চলের শিল্প সম্ভাবনা। তখনই চিন্তা করা হয় এ অঞ্চলের শিল্প-বাণিজ্যের প্রসারতা বাড়াতে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মানের প্রয়োজনীয়তা। ১৯৯৫ সালে নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদী হতে ১০ কি.মি. দূরে চর শোলুকিয়া নামক স্থানে সরকারিভাবে একটি বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ শুরু হয়। বিমানবন্দরটি নির্মাণের জন্য তৎকালীন সময়ে প্রায় ২০ একর জমিও অধিগ্রহণ করা হয়। নির্মাণ সম্পন্ন হয় বিমানবন্দরের রানওয়ে, যেখানে প্রাথমিকভাবে খরচ হয় প্রায় ২ কোটি টাকা। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সংযোগ সড়ক ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মিত না হওয়ায় বন্ধ হয়ে পড়ে বিমানবন্দরের নির্মাণ কাজ। দুঃখের বিষয় আজ পর্যন্ত বিমানবন্দরটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি, যার ফলে থমকে যায় নোয়াখালীর শিল্প সম্ভাবনা এবং পরবর্তীকালে আর তেমন কোন উল্লেখযোগ্য শিল্পকারখানা গড়ে উঠেনি এ অঞ্চলে। তাই সাগরতীরের নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠা করে এ অঞ্চলের শিল্প-সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে সরকার।
নোয়াখালী অঞ্চলের মানুষ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত আছে এ অঞ্চলের মানুষ যারা প্রতিনিয়তই রেমিট্যানাস পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকাকে করেছে সমৃদ্ধশালী। বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় নোয়াখালী অঞ্চলে প্রবাসীদের হার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। নোয়াখালীর এ প্রবাসীরা এখন রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে যাতায়াত করে। বর্তমানে একটা বিষয় অবাক লাগে বিদেশ থেকে বিমানের ফ্লাইটে ঢাকা আসতে সময় লাগে যেখানে ৩-৪ ঘন্টা সেখানে তাদের ঢাকা থেকে নোয়াখালী আসতেই লাগে ৭-৮ ঘন্টা। এতে তাদের পোহাতে হয় সীমাহীন ভোগান্তি। প্রবাসীদের সিংহভাগ অংশ নোয়াখালীর বলে নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠিত হলে তারা সরাসরি বিদেশ থেকে নোয়াখালীতেই আসতে পারবে। এতে তাদের বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে হবেনা এবং ঢাকার বিমানবন্দরের উপরও চাপ কমে যাবে অনেকাংশে। নোয়াখালীর প্রবাসীরা ছাড়াও এতে উপকৃত হবে কুমিল্লা, চাঁদপুর ও পাশ্ববর্তী জেলার প্রবাসীরা। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীদের সুবিধার্থে নোনোয়াখালীর রয়েছে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা। সাগরতীরের উপকূলীয় অঞ্চল নোয়াখালী রয়েছে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, নতুন জেহে ওঠা দ্বীপসমূহ এবং নিঝুম দ্বীপের মত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নিদর্শন। সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি হরিণের অভয়ারণ্য নিঝুম দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নজর কেড়েছে বিশ্ববাসীর। নিঝুম দ্বীপে ঘুরতে আসে বিদেশি পর্যটকেরা। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় অনেক বিদেশী পর্যটকেরা আসতে পরছেনা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের পর্যটন শিল্প। যদি নোয়াখালী তে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মিত হয় তাহলে প্রচুর পরিমাণে বিদেশী পর্যটকেরা আসতে শুরু করবে। এতে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে উন্মোচিত হবে নতুন দ্বার।

লেখক : যুগ্ম আহবায়ক, নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন সমন্বয় কমিটি।

আরও পড়ুন

বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএম এর নোয়াখালী জেলার সভাপতি ডাঃ এম এ নোমান,চাটখিল কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া।

চাটখিলে ডিয়ার ছোয়াদ এজেন্সির হজ্জ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান (রুবেল ভূঁইয়া) উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রতিষ্ঠানের চলমান উন্নয়ন এবং মাঠ সম্প্রসারণের কাজ সম্পর্কে অবগত করেন এবং মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন-এইচ এম ইব্রাহিম

মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি মো.মেহেদী হাছান রুবেল ভূঁইয়া বলেন,ঐতিহ্যবাহী চাটখিল কামিল মাদ্রাসা একটি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ প্রতিষ্ঠানটি উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

চাটখিল কামিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলায়েত হোসেন আশা করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় সর্বসাধারনের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত এর মতবিনিময়

Comments are closed.