আল্লামা শফি সাহেবদের ময়না তদন্ত

লেখাটি ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ইলিয়াস হিমেলের ফেসবুক থেকে নেয়া

223
ইলিয়াস হিমেল

এখানে শফি সাহেবকে সিম্বল হিসেবে গ্রহন করা হয়েছে।উনার মাধ্যমে আমরা মুলত কওমী মাদ্রাসার ঐতিহাসিক বিকলাঙ্গকতাকেই বুঝার চেষ্টা করবো।তাহলে চলুন…

বৃটিশ ভারতে যখন বৃটিশরা কৌশলগত দিক থেকে কালচারাল রেভ্যুলুশনের উদ্দেশ্যে এ উপমহাদেশে বৃটিশ শিক্ষার সম্প্রচারে উঠে-পড়ে লেগে গেলো,যখন এদেশরই কতিপয় মুসলিম ও হিন্দু জমিদার বৃটিশদেরকে এ কাজে সর্বাত্বক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলো,স্যার সৈয়দ আহমদ খান,নবাব আবদুল লতিফ সহ কতিপয় বৃটিশ বেনিয়ান চামচা যারা বৃটিশদের উদ্দেশ্য সাধনে শিক্ষানুরাগির ভূমিকায় অবতীর্ণ হলো ঠিক সেই মুহুর্তে ভারতে দেওবন্দ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয় মুসলিম শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার জন্য।

যদিও শুধু মাত্র শিক্ষার দিকটাকে প্রাধান্য দিয়ে এই মাদ্রাসার কারযক্রম চলতে থাকে ,কিন্তু যারা ইতিহাসের সাথে টুকটাক পরিচিত তারা ভাল করেই জানেন এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পিছনে রাজনৈতি ও সামাজিক কারন কোন অংশেই কম ছিলনা।

কিন্তু প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর কওমী ধারার আলেমরা তাদের মুল লক্ষ্য থেকে পিছপা হয়ে ভীরুতা ও কাপুরুষতাকেই বেছে নেন।যার ফলশ্রুতিতে ভারতে আলিয়া মাদ্রাসার উদ্ভব ঘটে।

বৃটিশ ভারতে যখন খেলাফত আন্দোলন চলছিলো তখন এই আলেমরাই তুরস্কের রাজনৈতিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা না করে শুধু মাত্র আবেগের তাড়নায় হাজার হাজার মুজাহিদকে তুরস্কে পাঠায়। এমনকি তখন যারা কওমী আলেমদের সিদ্ধান্তকে সমালোচনা করেছিলো তাদেরকে কাফের-মুরতাদ ও ইহুদীদের দালাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।কিন্তু কিছুদিন পর যখন তাদের খলিফা মুস্তফা কামাল পাশা সমস্ত ইসলামের উপর নিষেধাঙ্গা জারি করেন ঠিক তখনই কওমী ওলামাদের ঘুম ভাঙ্গে।আবেগীয় ইসলাম তাদের কাছে বুমেরাং হয়ে ফিরে আসে

ভারতে যখন কতিপয় ইসলামিস্ট ইসলামের স্বার্থে ইংরেজি শিক্ষাকে ইসলাম প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে বুঝানোর চেষ্টা করে তখন এই আলেমরাই তাদেরকে কাফেরদের দালাল ঘোষণা করে।

কতিপয় বিচক্ষণ ইসলামিস্ট যখন রাজনীতিকে ইসলাম প্রচার ও ইসলামি হুকুমাত প্রতিষ্ঠার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম বলে প্রচার করে তখন এরাই তাদেরকে ক্ষমতালোভি ও ইহুদীদের দালাল বলে প্রচার করতে থাকে।

ভেবে অবাক হবেন,কওমী আলেমরা আলিয়া মাদ্রাসাকে ঘৃণা করার অন্যতম কারন হলো আলিয়া মাদ্রাসা সরকারী সাহায্য সহযোগিতা ও সরকারি সার্টিফেকেট গ্রহন করে।আর এখন তারা এ দুটার জন্য শুকরানা মাহফিল পরযন্ত আয়োজন করে।কত বড় আহম্মক আর খামখেয়ালি ফতোয়াবাজ বলা যায় এদেরকে বলুন তো ?

টিভিতে আলোচনা করা ,কোরআন তেলাওয়াত করা,ওয়াজ করা,বাসায় টিভি রাখা এসব কিছুকে তারা কাফেরদের কাজের সাথে তুলনা করতেন।কিন্তু তারাই এখন এসব কাজের সাথে খুব ভালোভাবেই জড়িয়ে পড়েছেন।

৫ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এরাই নাস্তিক সরকার ও নাস্তিকদের দোসর বলে প্রচার করেছিলো।সমগ্র দেশকে আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছিলো।হাজার হাজার তরুনকে ঢাকায় এনে এই শফি সাহেব পলায়ন করেছিলো।এখন এই শফি সাহেবরাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কওমী জননী ঘোষণা দেন।কি অদ্ভত ইমান এই হুজুর গুলোর।

এই কওমী আলেমদের এহেন বেহাল দশা আর দিনে দিনে বদলে যাওয়ার চিত্র েএটা নতুন কিছু নয়।ঐতিহাসিক ভাবে প্রমানিত, কওমী হুজুররা সব হারানোর আগে কোন কিছুই সঠিকভাবে বুঝেননা।আল্লামা শফি সাহেব এর আপডেট সংকলন মাত্র

সে যাই হোক,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,অন্তত আপনার উচিত হয়নি এরকম ধোকাবাজ আর স্বার্থবাজ হুজুরদের কাছ থেকে কোন উপাধি গ্রহন করা ।

সময় অনেক কথা বলবে,অপেক্ষা করুন ।

 

আরও পড়ুন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে বাতাসে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লামচর গ্রামের সর্দার বাড়ি সংলগ্ন ডোবায় অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পায় তারা।

চাটখিলে বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

বেলায়েত হোসেন আশা করেন দলীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় সর্বসাধারনের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে চাটখিল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।

চাটখিলে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলায়েত এর মতবিনিময়

নোয়াখালীর চাটখিলে কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে চাটখিল উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে চাটখিল কামিল মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি সাংবাদিক মেহেদী হাছান রুবেল ভুঁইয়া’র পৃষ্ঠপোষকতায় ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চাটখিলে কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

তিনি দেশবাসীকে মাতৃভাষায় বুঝে বুঝে কুরআন পাঠের আহ্বান জানান।

সারাদেশে অর্থসহ কুরআন পাঠ দিবস পালিত

Comments are closed.